এক সহকর্মীর সরলতার সুযোগে ব্যাংক ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে লিটা রোকসানার বিরুদ্ধে। এতে জামিনদার হিসেবে জড়ানো আরেক সহকর্মী এখন আইনি জটিলতায় পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আয়েশা আক্তার চৌধুরী । ভুক্তভোগী আয়েশা জানান, সহকর্মীর অনুরোধে তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের জামিনদার হন। ঋণের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তি পরিশোধ হলেও পরবর্তী সময়ে ঋণ পরিশোধ বন্ধ করে দেন প্রতারক লিটা রোকসানা। তবে প্রতারনার শিকার হওয়া নারী ব্যাংকের নোটিশ আসার পর জামিনদার হিসেবে তাকেই আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সুদসহ ওই ঋণের বকেয়া (১৫ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত) দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ লাখ ২ হাজার ৭৩৬ টাকা। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্তের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। বর্তমানে প্রতারক লিটা রোকসানা নারায়ণগঞ্জ মদনপুরে ‘এপিলিয়ন নিটওয়্যারস লিমিটেড’ এর এক্সিকিউটিভ (কল্যাণ ও কাউন্সেলিং) এইচআর ও অ্যাডমিন হিসাবে বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন।
আমি সুবিচার চাই। আমার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, কারণ সে ব্যাংক থেকে ঋণ নেবে এই বিষয়টি আমাকে যথাযথভাবে অবহিত করেনি। বিশ্বাসের উপর ভরসা করে আমি অজ্ঞাতসারে স্বাক্ষর করেছিলাম। আমি তাকে বিশ্বাস করেছিলাম। এখন ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী আমাকে আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার ও অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী যথাযথ তদন্ত, বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন, যাতে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।