1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে আইন প্রণয়নের ওপর জোর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন আজকের অনুষ্ঠানে না এসে বিরোধী দল শহীদ পরিবারগুলোকে অবজ্ঞা করেছে: প্রধানমন্ত্রী দেশেই প্রতিরক্ষা শিল্প গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসে ছেঁউড়িয়ায় বসেছে সাধুর হাট, বাউল-ভক্তদের মিলনমেলা পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, শুরু ২১ জানুয়ারি শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে : প্রধানমন্ত্রী প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত কুতুব শাহ মসজিদ

মোহাম্মদ নাজমুল হক শামীম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত কুতুব শাহ মসজিদ (বা কুতুব মসজিদ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাচীনতম মুসলিম স্থাপত্যগুলোর একটি। এটি মূলত ১৬শ শতকের শেষভাগে সুলতানি আমলের স্থাপত্যরীতির আদলে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ।

কুতুব মসজিদের ইতিহাস

​নামকরণ ও প্রতিষ্ঠা: স্থানীয় জনশ্রুতি অনুযায়ী, হযরত শাহ জালাল (র.)-এর সঙ্গী আউলিয়াদের একজন, প্রখ্যাত দরবেশ হযরত কুতুব শাহ (র.) এই এলাকায় ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। তাঁর নামানুসারেই এই মসজিদটির নামকরণ করা হয়। মসজিদের প্রাঙ্গণেই তাঁর সমাধি (মাজার) রয়েছে।

​নির্মাণকাল: মসজিদের গায়ে কোনো স্পষ্ট শিলালিপি না থাকায় এর সঠিক নির্মাণসাল নির্ধারণ করা যায়নি। তবে প্রত্নতত্ত্ববিদ ও বিশেষজ্ঞদের মতে (যেমন অধ্যাপক আহমদ হাসান দানি), এটি ১৬শ শতকের শেষভাগে (প্রায় ১৫৭৬–১৫৮৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে) সুলতানি শাসনের শেষ ও মোগল আমলের সূচনালগ্নে নির্মিত হয়।

​সংরক্ষিত পুরাকীর্তি: ১৯০৯ সালে ব্রিটিশ আমলে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর একে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করে।

​স্থাপত্যশৈলী ও প্রধান বৈশিষ্ট্য

​গম্বুজ ও মিনার: আয়তাকার এই মসজিদে মোট ৫টি গম্বুজ রয়েছে মাঝখানের গম্বুজটি আকারে কিছুটা বড় এবং বাকি চারটি অপেক্ষাকৃত ছোট। মসজিদের চার কোণে ৪টি অষ্টভুজাকৃতির বুরুজ বা মিনার রয়েছে, যেগুলোতে রিং বা স্ফীত বলয়ের কাজ করা।

​প্রবেশপথ ও মিহরাব: মসজিদের পূর্ব দিকে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিণে ১টি করে মোট ৫টি খিলানযুক্ত প্রবেশপথ রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে ৩টি সুসজ্জিত মিহরাব।

​কার্নিশ ও অলঙ্করণ: সুলতানি আমলের চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মসজিদের ছাদের কার্নিশগুলো বাঁকানো (curved cornices)। বাইরের দেয়ালে টেরাকোটা বা পোড়ামাটির নকশা ও চমৎকার প্যানেলিংয়ের কাজ রয়েছে, যা শেরপুরের খেরুয়া মসজিদের নকশার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

​হাওর পরিবেষ্টিত অষ্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি চার শতাধিক বছর ধরে বাংলায় সুলতানি ও মোগল স্থাপত্যের এক নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

লিখক :- মোহাম্মদ নাজমুল হক শামীম
সম্পাদক/ প্রকাশক :- লিটল ম্যাগাজিন “চট্টলানামা”
সাধারণ সম্পাদক :- বাংলাদেশ ইতিহাস চর্চা পরিষদ।

  

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান