1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক ট্রাম্পের নৈশভোজসহ প্রথম দিনে ১০ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ গত ১৭ বছর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা করা হয়েছে: রিজভী আহমেদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু এসএসসির খাতা দেখায় গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী ডিবি হারুন তার ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন

মক্কায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতে লেখা কোরআন প্রদর্শনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের হাতে লেখা পবিত্র কোরআনের একটি অনুলিপি। ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত হোলি কোরআন মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আকারের হাতে লেখা পবিত্র কোরআনের একটি অনুলিপি। বিশাল এই পাণ্ডুলিপিটি আকার ও নান্দনিকতার দিক থেকে অনন্য হওয়ায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও স্বীকৃতি পেয়েছে।

সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রদর্শিত কোরআন শরিফটির দৈর্ঘ্য ৩১২ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ ২২০ সেন্টিমিটার। এতে মোট ৭০০ পৃষ্ঠা রয়েছে। আকার ও উপস্থাপনার কারণে এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআনের পাণ্ডুলিপি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি মূলত দশম হিজরি শতাব্দী বা ১৬০০ শতাব্দীর একটি ঐতিহাসিক কোরআনের বর্ধিত অনুলিপি। মূল কপিটির মাপ ছিল ৪৫ বাই ৩০ সেন্টিমিটার। সেই কোরআনের বেশির ভাগ সুরা লেখা হয়েছিল থুলুথ লিপিতে, আর সুরা ফাতিহা লেখা হয়েছিল নাসখ লিপিতে। এতে সে সময়ের ক্যালিগ্রাফি শিল্পের সূক্ষ্মতা ও নান্দনিক বৈচিত্র্য স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

এই কোরআনটি আরবি ক্যালিগ্রাফি, স্বর্ণালংকরণ ও গ্রন্থ বাঁধাইয়ের এক অনন্য নিদর্শন। প্রথম পাতায় সূর্যাকৃতির অলংকরণ, সূচনা ও শিরোনাম পাতার নকশা এবং জটিল অলংকারে ফুটে উঠেছে ইসলামি শিল্পকলার উচ্চমাত্রার শৈল্পিক উৎকর্ষ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মূল কোরআনটি ১৩০০ হিজরি বা ১৮৮৩ খ্রিষ্টাব্দে ওয়াকফ হিসেবে উৎসর্গ করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই আসল পাণ্ডুলিপিটি সংরক্ষিত রয়েছে কিং আবদুলআজিজ কমপ্লেক্স ফর এন্ডাওমেন্ট লাইব্রেরিতে।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষের মতে, এই ঐতিহাসিক কোরআন মুসলমানদের কোরআনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাশাপাশি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা সমৃদ্ধ ইসলামি শিল্প ও সংস্কৃতির এক জীবন্ত সাক্ষ্য হয়ে আছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান