1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি হারুন অর রশিদ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই আমরা বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ড. এম এ কায়ুমের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ফয়সাল হোসাইন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আইহান ও ইহান সরকারের আকিকা অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান চলতি অর্থবছরেই মধ্যেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম স্বাভাবিক হয়ে আসছে গ্যাস সরবরাহ; বিদ্যুতে কমিয়ে শিল্পে গ্যাস বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

২ গোলে পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য কামব্যাকে মিশরের হৃদয় ভেঙে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা

ক্রিড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

স্নায়ুক্ষয়ী এক লড়াই! ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষে ৩-২ গোলে জেতা। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এই অবিশ্বাস্য এক কামব্যাকের গল্পটা লিখল। আর তাতেই দলটা চলে গেছে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল।

ম্যাচের শুরু থেকেই সমস্যায় পড়ে আর্জেন্টিনা। প্রথম পাঁচ মিনিটে পজিশনের ভুলে দুইবার বল হারায় দলটি। এরপর ১৪ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় মিশর। ফ্রি কিক থেকে মাথা ছুঁইয়ে গোলটি করেন ইয়াসির ইব্রাহিম।

পাঁচ মিনিট পর পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। বক্সে ফাউলের শিকার হন নিকলাস তালিয়াফিকো। স্পট কিক নেন মেসি নিজেই। কিন্তু মিশরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ শোবেইর দারুণভাবে সেই শট ঠেকিয়ে দেন। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল মেসির টানা দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস।

এরপরও একাধিক সুযোগ তৈরি করে আর্জেন্টিনা। তবে প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান শোবেইর। ম্যাক আলিস্টারের কাছের শট থেকে দুর্দান্ত এক সেভ করেন তিনি। এরপর আলভারেজের শটও ঠেকিয়ে দেন। মেসির একটি ফ্রি কিক গিয়ে লাগে বারপোস্টে। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ গোলে মিশরের এগিয়ে থাকা অবস্থায়।

দ্বিতীয়ার্ধেও দাপট দেখায় মিশর। ৫৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান মুস্তাফা জিকো। তবে কিছুক্ষণ পরই ভিএআর যাচাইয়ের পর সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। বিল্ড আপের সময় লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করার কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।

তবে বাতিল হওয়া গোলের পরও থেমে থাকেননি জিকো। ৬৭ মিনিটে ট্রানজিশন থেকে আবারও গোল করেন তিনি। এতে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। মনে হচ্ছিল, বিদায়ের দুয়ারে চলে গেছে দলটি।

তবে ম্যাচের শেষ দিকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। এই শটেও হাত ছুঁয়েছিলেন শোবেইর, তবে বল ঠেকাতে পারেননি তিনি। এই গোলে ফের ম্যাচে ফেরে আর্জেন্টিনা।

এরপর ৮৩ মিনিটের মাথায় আসে মেসির অবিশ্বাস্য এক গোল। বক্সের ভেতর জটলার মধ্যে থেকে নেওয়া তার শট প্রথমে শোবেইরের হাতে লাগে। এরপর বল গিয়ে জড়ায় জালে। সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা।

এরপর যোগ করা সময়ে আসে জয়সূচক গোল। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে লাউতারো মার্তিনেজের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। এই গোলেই ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা এবং সেই ব্যবধান ধরে রেখেই ম্যাচ শেষ করে দলটি।

এই জয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান