1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, শুরু ২১ জানুয়ারি শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে : প্রধানমন্ত্রী প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বিমানে যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা ছাড়াই পদায়ন: বিদেশি স্টেশনেও নৈরাজ্য যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব নৌ দিবস–২০২৬ উদযাপন জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক ট্রাম্পের নৈশভোজসহ প্রথম দিনে ১০ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ

কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক টেগর লজ গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও কর্মের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্ন

মোঃ রাকিবুল ইসলাম খান
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোঃ রাকিবুল ইসলাম খান: ৮৯৫ সালে ভুসিমাল ও পাটের ব্যবসার জন্য দুই ভ্রাতুষ্পুত্র সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বলেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সহায়তায় রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠা করেন ‘টেগর অ্যান্ড কোম্পানি’। ব্যবসার কাজ পরিচালনা এবং কিছুকাল অবস্থানের জন্য তিনি এর একাংশে নির্মাণ করেন দ্বিতল টেগর লজ। এখানে ভুসিমালের ব্যবসার পাশাপাশি আখমাড়াইয়ের কল ও পাটের গাঁট তৈরির কলও স্থাপন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে স্বদেশি আন্দোলনের চেতনায় টেগর লজকে কেন্দ্র করে একটি বড় তাঁতশালাও গড়ে তোলা হয়।

প্রথমদিকে ব্যবসা ভালো চললেও পরে টেগর অ্যান্ড কোম্পানি ক্রমাগত লোকসানে পড়ে। পাটের ব্যবসায় এসে রবীন্দ্রনাথ একসময় লাখ টাকারও বেশি ঋণগ্রস্ত হন। ব্যবসা সামলাতে শেষ পর্যন্ত খুলনার ফুলতলার দক্ষিণডিহির উদ্যমী যুবক যজ্ঞেশ্বরকে দায়িত্ব দেন।

টেগর লজ শুধু ব্যবসার কার্যালয়ই ছিল না; কুষ্টিয়ায় যাতায়াতের সময় রবীন্দ্রনাথ এখানে বিশ্রাম নিতেন এবং কখনও রাতও কাটিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ আছে। ফলে ভবনটির সঙ্গে কবির ব্যক্তিগত জীবনেরও স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে।

সময়ের প্রবাহে ভবনটি অন্যের মালিকানায় চলে যায় এবং দীর্ঘদিন অযত্নে পড়ে থাকে। পরে কুষ্টিয়া পৌরসভার উদ্যোগে এটি সংস্কার করা হয় এবং এখানে জাদুঘর ও লাইব্রেরি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যসৃষ্টির পরিচিত অধ্যায়ের পাশাপাশি টেগর লজ আমাদের মনে করিয়ে দেয় তাঁর জীবনের আরেকটি অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত দিক-ব্যবসা, শিল্প ও স্বদেশি ভাবনার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা। তাই রবীন্দ্রনাথের স্মৃতির পথে কুষ্টিয়া ভ্রমণে শিলাইদহের পাশাপাশি টেগর লজও হতে পারে একটি বিশেষ গন্তব্য।

ইতিহাস ও বিবরণ
  • প্রতিষ্ঠা: ১৮৯৫ সালে টেগর অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যালয় হিসেবে এটি নির্মিত হয়।

  • অবস্থান: কুষ্টিয়া সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে মিলপাড়া এলাকায় অবস্থিত।

  • স্থাপত্যশৈলী: ইন্দো-ইউরোপীয় স্থাপত্যের লাল রঙের দোতলা কারুকার্যখচিত ভবন।

  • অন্যান্য বৈশিষ্ট্য: এখানে রয়েছে আবক্ষ মূর্তি, বড় হলরুম, ১২টি ছবির অনুকৃতি, গ্রন্থমালা ও প্যাঁচানো সিঁড়ি। বিস্তারিত জানতে কুষ্টিয়া জেলা তথ্য বাতায়ন দেখতে পারেন।

যাতায়াত ও খরচ

  • ঢাকা থেকে বাস: নন-এসি বাসে ভাড়া ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং এসি বাসে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা।

  • ঢাকা থেকে ট্রেন: সুন্দরবন, মধুমতি বা বেনাপোল এক্সপ্রেসে ভাড়া ৪১০ থেকে ৯৪৩ টাকা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান