1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি হারুন অর রশিদ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই আমরা বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ড. এম এ কায়ুমের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ফয়সাল হোসাইন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আইহান ও ইহান সরকারের আকিকা অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান চলতি অর্থবছরেই মধ্যেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম স্বাভাবিক হয়ে আসছে গ্যাস সরবরাহ; বিদ্যুতে কমিয়ে শিল্পে গ্যাস বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

একটি পূর্ণবয়স্ক ফড়িং দিনে গড়ে ১০০ থেকে ৩০০টি মশা খেয়ে ফেলে

Md Rakibul Islam.
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পূর্ণবয়স্ক ফড়িং
পূর্ণবয়স্ক ফড়িং

বাংলার মাঠেঘাট, পুকুরপাড় কিংবা জলাভূমির ধারে প্রায়ই উড়ে বেড়ায় এক অনন্য সুন্দর পতঙ্গ—ফড়িং। ক্ষণিকের রঙিন উড়াল দেখে অনেকেই মুগ্ধ হন। কিন্তু এই পতঙ্গ শুধু সৌন্দর্যের নয়, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষারও এক অদৃশ্য যোদ্ধা।

জানেন কি, একটি পূর্ণবয়স্ক ফড়িং দিনে গড়ে ১০০ থেকে ৩০০টি মশা খেয়ে ফেলে?
একটি ফড়িং তার পুরো জীবনে হাজার হাজার মশা নিঃশেষ করে।

তাদের চোখ খুব তীক্ষ্ণ, ডানা অতি গতিশীল আর প্রতিক্রিয়াও ক্ষিপ্র। এজন্য ক্ষুদ্র ও চঞ্চল শিকার যেমন মশাকে তারা সহজেই ধরতে পারে। তাদের শিকারের সফলতার হার প্রায় ৯৫ শতাংশ—যা পৃথিবীর যেকোনো শিকারির চেয়ে বেশি।

ফড়িং শুধু মশাই নয়, মাছি, ক্ষতিকর পোকামাকড়, এমনকি কীটপতঙ্গের ডিমও খেয়ে ফেলে।
তাই বিজ্ঞানীরা ফড়িংকে বলেন ‘প্রাকৃতিক কীটনাশক’। কোনো রাসায়নিক ছাড়াই তারা পরিবেশকে রাখে সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ।

আমাদের অনেকেই অজ্ঞতা বা খেলার ছলে ফড়িং মেরে ফেলে। কিন্তু একটি ফড়িং মারা মানে প্রতিদিন শতাধিক মশাকে বাঁচিয়ে দেওয়া।

আর এই মশাই তো ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া কিংবা জিকার মতো রোগের বাহক। অর্থাৎ আমরা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতির পথ তৈরি করছি।

ফড়িংকে বলা হয় ‘সূচকপ্রজাতি’
যেখানে ফড়িং আছে, সেখানকার জলাশয় সুস্থ, বায়ু বিশুদ্ধ আর প্রকৃতি জীবন্ত থাকে।

কিন্তু জলাভূমি ধ্বংস, অতিরিক্ত কীটনাশক, দখল আর নগরায়ণের কারণে তাদের সংখ্যা কমছে। এতে প্রকৃতির ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়ছে।

আমাদের করণীয়

  • ফড়িং দেখলে মেরে না ফেলে রক্ষা করা

  • জলাশয় ও গাছপালা সংরক্ষণ

  • শিশুদের শেখানো—ফড়িং খেলনা নয়, প্রকৃতির বন্ধু

  • কীটনাশক ও রাসায়নিক স্প্রে কমানো

  • শহর ও গ্রামে জলাভূমি রক্ষা করা

ফড়িংকে রক্ষা মানে নিজেদের ও প্রকৃতির জীবনকে রক্ষা করা।
তাদের উড়তে দিন—কারণ তারা নীরবে, নিঃস্বার্থে আমাদের রক্ষা করে চলেছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান