1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দলে ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিএনপির কঠোর বার্তা বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি যুবদলের ৩১ সদস্যের কমিটি গঠনের পরেরদিন ১৬ নেতার পদত্যাগ জামায়াত জোট থেকে কওমি ধারার দলগুলো বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা অনিয়মের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে এনসিসি ব্যাংক, পদে বহাল চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে হাসিনাসহ আসামি ৪১ বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের আস্থা তৈরির কারিগর নাফিজ সরাফাত মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ধরা খেলেন জিয়ার খুনি মোজাফফর! ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকার জলাবদ্ধতার জন্য রাজউককে দায়ী করলেন দুদকের সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী

বিদ্যাকুটে স্বস্তির নিঃশ্বাস, চেয়ারম্যান জাকিরুল হক গ্রেপ্তারে জনমনে স্বস্তি

ফরিদুল আলম ফরিদ
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ৬ নম্বর বিদ্যাকুট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাকিরুল হককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীতে তাঁর বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের খবর স্থানীয় এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যাকুট ইউনিয়নসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে স্বস্তির প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১৭ বছর ধরে সৈইরাচার ফাসিষ্ট আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাবকে ব্যবহার করে ইউনিয়নে দখলদারিত্ব, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি ও বিভিন্ন অনিয়ম চালিয়ে আসছিলেন জাকিরুল হক। তাঁকে ঘিরে গড়ে উঠা শক্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং তৎকালীন ক্ষমতাসীন সৈইরাচার আওয়ামী লীগের এমপি মো: এবাদুল করিমির ঘনিষ্ঠতার কারণে সাধারণ মানুষ তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পেতেন না।

বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, ইউনিয়নের জমি-বিষয়ক বিরোধ, নির্মাণকাজ বা প্রশাসনিক যেকোনো কাজে প্রভাব খাটানো ছিল তাঁর নিয়মিত আচরণ। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিরোধীদের উপরে নানা ধরনের চাপ প্রয়োগ করতেন এবং ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতেন। ভয়ে দেখিয়ে কাজ না হলে টর্চার সেলে নিয়ে রাতভর নির্যাতন করতেন।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, যেকোনো বিরোধে নিজের পক্ষে সিদ্ধান্ত আদায় করতে তিনি চাপ ও ভয়ভীতি ব্যবহার করতেন। কেউ প্রতিবাদ করলে বা তাঁর ইচ্ছার বাইরে কথা বললে শারীরিক হামলা, বাড়িঘর ধাওয়া বা দলবল নিয়ে ভয় দেখানো ও ভাংচুরের মতো ঘটনা ঘটত। স্থানীয়দের দাবি, তাঁর ঘনিষ্ঠ একটি দল ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিবেশ তৈরি করে রেখেছিল যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদবোধ করতেন না।
এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস কারো ছিল না। যে বলত, পরে তাকে নানা উপায়ে হয়রানির মুখে পড়তে হতো। তার গ্রেপ্তারের খবর শুনে মনে হচ্ছে অনেক দিনের চাপ কমে গেছে।

ডিবি সূত্র জানায়, তাঁর বিরুদ্ধে থাকা একাধিক মামলার ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্ত- সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি মামলার নথি সংগ্রহ করে পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর বিদ্যাকুট ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে স্থানীয়দের মধ্যে দৃশ্যমান স্বস্তি ফিরে এসেছে। মানুষ মনে করছেন, দীর্ঘদিনের চাপ, ভীতি ও দখলদারিত্বের পরিবেশ ধীরে ধীরে কমে আসবে। অনেকের মতে, ইউনিয়নে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য এই গ্রেপ্তার ছিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

এক স্থানীয় যুবক বলেন, অনেক দিন পর মনে হচ্ছে এলাকা আবার স্বাভাবিক হতে পারে। আগে বিকেল নামার পর রাস্তায় বের হতে ভয় লাগত।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই পদক্ষেপের ফলে বিদ্যাকুটে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং মানুষ আগের মতো স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান