1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ গত ১৭ বছর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা করা হয়েছে: রিজভী আহমেদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু এসএসসির খাতা দেখায় গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী ডিবি হারুন তার ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি হারুন অর রশিদ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই আমরা বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী

রপ্তানি বন্ধ, বাংলাদেশ সীমান্তে পচ্ছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ

মফস্বল প্রতিবেদক
  • আপডেট সময়: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশের বাজারে স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্রের রপ্তানিকারকরা। সীমান্তে আটকে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ দ্রুত নষ্ট হতে শুরু করেছে। ফলে নাসিক থেকে ১৬ রুপি কেজি দরে কিনে পরিবহনসহ ২২ রুপি খরচ করে সীমান্তে আনা সেই পেঁয়াজ এখন মাত্র ২ রুপি কেজিতে ‘পানির দরে’ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার মালদহের মাহাদিপুর-সোনামসজিদ সীমান্তে দেখা যায়, ৫০ কেজির বস্তা মাত্র ১০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। অথচ মালদহের স্থানীয় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ২০–২২ রুপি। মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে সীমান্তে সেই পেঁয়াজ ২ রুপিতে কিনতে পারায় ক্রেতারা ছুটে আসছেন, কিন্তু এটি রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ হঠাৎ আমদানি বন্ধ করে দেওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে।

রপ্তানিকারকদের দাবি, বাংলাদেশি আমদানিকারকদের মৌখিক আশ্বাসের ভিত্তিতে ঘোজাডাঙ্গা, পেট্রাপোল, মাহাদিপুর ও হিলি সীমান্তে অন্তত ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ মজুত করা হয়েছিল। শুধু মাহাদিপুরেই ছিল প্রায় ২০ হাজার টন। যদি রপ্তানি স্বাভাবিক থাকত, তবে কেজিতে ৩০–৩২ রুপি দরে বিক্রি করে ৮–১০ রুপি লাভ হতো। কিন্তু রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব পেঁয়াজ পচতে শুরু করেছে। ক্ষতি কমাতে প্রতিদিন শতাধিক শ্রমিক লাগিয়ে পচা পেঁয়াজ আলাদা করতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ী সাজিরুল শেখ বলেন, ‘২২ রুপি কেজি দরে নাসিক ও ইন্দোর থেকে পেঁয়াজ এনেছিলাম। এখন পচা শুরু করায় বাধ্য হয়ে ২, ৬ বা ১০ রুপিতে বিক্রি দিচ্ছি।’ আরেক ব্যবসায়ী জাকিরুল ইসলাম জানান, ‘দুই মাস আগেও প্রতিদিন ৩০–৩৫ ট্রাক পেঁয়াজ বাংলাদেশে পাঠিয়েছি। এখন স্টক পচে যাওয়ায় লোকাল মার্কেটে যেটুকু দাম পাওয়া যায়, সেটাতেই বিক্রি করছি। বাংলাদেশ পরিষ্কার জানিয়েছে, তারা এখন পেঁয়াজ নেবে না।’

মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, দু’মাস আগেও বাংলাদেশে রপ্তানি স্বাভাবিক ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় মজুত করা ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ এখন তাদের মাথাব্যথার কারণ। অন্যদিকে পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে তুলনামূলক কম মজুত থাকায় সেখানে বড় কোনো সংকট তৈরি হয়নি।

এদিকে পানির দরে পেঁয়াজ কিনলেও ভারতীয় ভোক্তারা সন্তুষ্ট নন। মালদহের ক্রেতা খাইরুল হক বলেন, ‘রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের অবহেলায় বাজারের এই অবস্থা। ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত, আর খুচরা বাজারে দাম এখনও ২০–৩০ রুপি।’

কলকাতাসহ আশপাশের শহরে এখনো তুলনামূলক ভালো মানের পেঁয়াজ ২৫–৩০ রুপি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বিক্রেতাদের মতে, গুদামে থাকা স্টক বাজারে আসতে শুরু করলে দাম আরও কমে যেতে পারে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান