1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ডিবি হারুন তার ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি হারুন অর রশিদ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই আমরা বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ড. এম এ কায়ুমের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ফয়সাল হোসাইন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আইহান ও ইহান সরকারের আকিকা অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান চলতি অর্থবছরেই মধ্যেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

আওয়ামী লীগ আমলে শুধু চট্টগ্রামেই ১৪০০ কোটির চাঁদাবাজি

ফরিদুল আলম ফরিদ
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

চট্টগ্রামে জেলার পরিবহন খাত থেকে একটি চক্র বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরে চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। শাহজাহান নামে জনৈক পরিবহন শ্রমিকের বায়েজিদ বোস্তামী থানায় করা একটি মামলায় এমন তথ্য সামনে এসেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের নামে শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস-টেম্পো-ট্যাক্সি-মিনিবাসসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে বিপুল পরিমাণ এই অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। সিন্ডিকেটে রয়েছে পরিবহন শ্রমিক নামধারী ২০০ জনের একটি চক্র। লাইন পরিচালনা, প্রশাসন ম্যানেজ করা এবং শ্রমিক কল্যাণের নামে বিভিন্ন নিবন্ধিত, অনিবন্ধিত ও নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে তারা চাঁদা আদায় করে। তবে চাঁদার এক কানাকড়িও শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়নি।

এছাড়া চট্টগ্রামে বাস-মিনিবাসের রুট রয়েছে ১৮টি। এসব রুটের বৈধ-অবৈধ গাড়ির সংখ্যা ১ হাজার ৯৪১টি। প্রতিটি গাড়ি থেকে দৈনিক ১৫০ টাকা করে ২ লাখ ৯১ হাজার ১৫০ টাকা চাঁদা উঠানো হয়। সেই হিসাবে বছরে ১০ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার এবং ১৬ বছরে ১৬৭ কোটি ৭০ লাখ ২৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

একইভাবে চট্টগ্রাম শহরে হিউম্যান হলারের রুট রয়েছে ১৮টি। এসব রুটে বৈধ-অবৈধ গাড়ির সংখ্যা ১ হাজার ৮৬৬টি। এসব গাড়ি থেকে দৈনিক ২০০ টাকা করে চাঁদা তোলা হয়। বছরে ১ কোটি ১১ লাখ ৯৬ হাজার এবং ১৬ বছরে উঠানো চাঁদার পরিমাণ ১৬৭ কোটি ৭০ লাখ ২৪ হাজার টাকা। চট্টগ্রাম শহরে চলাচলরত ম্যাক্সিমা গাড়ি রয়েছে ২ হাজার ১০০টি। প্রতিটি গাড়ি থেকে দৈনিক ৫০ টাকা হারে চাঁদা নেওয়া হয়। বছরে ৩ কোটি ৭৮ লাখ এবং ১৬ বছরে এসব গাড়ি থেকে চাঁদা উঠানো হয় ৬০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পণ্য পরিবহন মালিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে পরিবহন খাতে চট্টগ্রামের কোথাও কোনো চাঁদা তোলা হয় না। সাংগঠনিকভাবে লাইন চালানোর জন্য মালিকরা নির্ধারিত ফি দিয়ে থাকেন। পরিবহন সেক্টর নেতৃত্বশূন্য থাকলে শৃঙ্খলা থাকবে না।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান