1. adm00ijns@example.com : adm00ijns :
  2. adme1v799@example.com : adme1v799 :
  3. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
  4. admqwcivi@example.com : admqwcivi :
  5. lark20563@pratidinerkhabor.com : lark20563 :
  6. nahin665@gmail.com : Nk :
  7. svcbe78f7@health.local : svcbe78f7 :
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন চাঁদা না দেয়ায় পা হারালেন গাজীপুরের গাছা থানার নির্মাণ সামগ্রী ব্যবসায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে বীরশ্রেষ্ঠদের নামে জাতীয় সংসদের গ্যালারির নামকরণ করা হলো অন্যায়কারী যদি আমার কাছের মানুষও হয় তবু্ও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না: হারুণ অর রশিদ এমপি ধান-চালের সরকারি দাম নির্ধারণ করেছে সরকার বাস ভাড়া না বাড়াতে মালিক সমিতির কঠোর নির্দেশ কে কুলাঙ্গার? রাশেদ প্রধানকে অতিরিক্ত আইজিপির কড়া প্রশ্ন জামায়াত জোট থেকে মনোনয়ন পাওয়া কে এই ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা? বিদ্যুৎমন্ত্রীকে নাস্তিক বলায় আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্বামী যেতে না পারলেও সংসদে যাচ্ছেন স্ত্রী

নিরব অর্থনৈতিক যুদ্ধে প্রতিনিয়ত হারছে সাধারণ মানুষ

হাবিবুর রহমান (বাপ্পী)
  • আপডেট সময়: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

আয় থেমে-ব্যয় উর্ধ্বমুখী ! মৌলিক চাহিদাই এখন বিলাসিতা! বর্তমানে আয়ের সাথে ব্যয় সংগতিপূর্ণ না হওয়ায় ভয়ংকর ভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে অধিকাংশ পরিবার গুলোকে । একটি পরিবার। একটি রান্নাঘর। একটি মাসিক আয়ের হিসাব। কিন্তু সেই হিসাব আজ আর কোনো খাতায় মেলে না—মেলে শুধু দীর্ঘশ্বাসে।

দেশজুড়ে আয়ের চাকা যেন থমকে আছে, অথচ ব্যয়ের গ্রাফ প্রতিনিয়ত ঊর্ধ্বমুখী। বাজারে ঢুকলেই বোঝা যায় বাস্তবতা কতটা নির্মম—যে পণ্যগুলো একসময় দৈনন্দিন জীবনের অংশ ছিল, সেগুলোই এখন অনেকের জন্য বিলাসিতা। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা—এই পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পূরণ করতেই এখন সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে অসম্ভব লড়াই।

এক সময় নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো মাস শেষে কিছু টাকা বাঁচিয়ে ২০০, ৩০০ কিংবা ৫০০ টাকার ডিপিএস চালাত। সেই ছোট্ট সঞ্চয় ছিল ভবিষ্যতের নিরাপত্তা, ছিল স্বস্তির নিঃশ্বাস। কিন্তু আজ সেই শ্রেণীর মানুষই সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত। সঞ্চয়ের খাতা বন্ধ হয়ে গেছে অনেক আগেই, এখন খুলেছে ঋণের খাতা। মাস শেষ হওয়ার আগেই শেষ হয়ে যাচ্ছে আয়, আর বাকি দিনগুলো কাটছে ধার-দেনার উপর ভর করে।

বাজারের প্রতিটি স্তরে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে সরাসরি মানুষের জীবনে। চাল, ডাল, তেল, সবজি—নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের দাম যেন প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ফলে সংসারের খরচ মেটাতে গিয়ে শিক্ষা খাতে কাটছাঁট হচ্ছে, চিকিৎসা পিছিয়ে যাচ্ছে, এমনকি পুষ্টিকর খাবার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে পরিবারগুলো।‌ বাসস্থান খাতেও একই চিত্র। বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাসের খরচ—সব মিলিয়ে এক অদৃশ্য চাপ তৈরি হয়েছে, যা প্রতিনিয়ত ভেঙে দিচ্ছে মানুষের মানসিক স্থিতি। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা, অশান্তি, অনিশ্চয়তা। অনেক ক্ষেত্রে এই অর্থনৈতিক চাপ সম্পর্কের ভাঙনের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র দেখা যাচ্ছে চিকিৎসা খাতে। অসুস্থ হলেও অনেকেই এখন হাসপাতালে যেতে সাহস পাচ্ছেন না, কারণ চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষা খাতেও একই সংকট—ভর্তি ফি, কোচিং, বইপত্র—সবকিছুই এখন অনেকের নাগালের বাইরে। অর্থনীতির এই বাস্তবতা শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, এটি মানুষের জীবনের ভয়ংকর তিক্ত গল্প। এটি সেই মায়ের হাহাকারের গল্প, যিনি নিজের ওষুধ কেনা বন্ধ করে সন্তানের খাবার জোগান দেন। এটি সেই বাবার দীর্ঘ নিঃশ্বাসের গল্প, যিনি মাসের শেষ সপ্তাহে বাসাভাড়া মেটাতে গিয়ে নিজের সম্মান বিসর্জন দেন।

প্রশ্ন উঠছে—এই দায় কার?
কেন আয়ের সাথে ব্যয়ের এই চরম অসামঞ্জস্য? কেন সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত টিকে থাকার জন্য লড়াই করতে হচ্ছে? যেখানে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, সেখানে বাস্তবতা বলছে—এই অধিকারগুলোই আজ সবচেয়ে ব্যয়বহুল পণ্য। সঞ্চয়ের স্বপ্ন ভেঙে পড়েছে, স্থিতিশীল জীবনের আশ্বাস হারিয়ে গেছে। মানুষ এখন শুধু বেঁচে থাকার জন্য বাঁচছে—স্বপ্ন দেখার সাহসটুকুও যেন ক্রমেই নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতি যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে এটি শুধু অর্থনৈতিক সংকটেই সীমাবদ্ধ থাকবে না—এটি রূপ নেবে একটি গভীর সামাজিক সংকটে, যার প্রভাব পড়বে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান