1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ডিবি হারুন তার ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি হারুন অর রশিদ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই আমরা বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ড. এম এ কায়ুমের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ফয়সাল হোসাইন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আইহান ও ইহান সরকারের আকিকা অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান চলতি অর্থবছরেই মধ্যেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে ৬৪৭৬ ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। ছবি- সংগৃহীত
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনের নাম বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
প্রশ্নোত্তর পর্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম সভাপতিত্ব করেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানান, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয় এমন ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজ একটি চলমান প্রক্রিয়া। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, অনেক অমুক্তিযোদ্ধা ভুল তথ্য দিয়ে ভারতের তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন, এখন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানান, গত ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮৪২টি অমুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে নিবিড় তদন্ত শেষে ৪৮১ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে নাম বাতিলের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর জামুকার একটি উপকমিটি বিস্তারিত তদন্ত ও শুনানি পরিচালনা করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তার সনদ ও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হয়।
আহমেদ আজম খান আরও জানান, শুধু নির্দিষ্ট কোনো এলাকা নয়, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে একই পদ্ধতিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তালিকা পুরোপুরি স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান