1. kayesahmedsalimbd@gmail.com : Kayes Ahmed Salim : Kayes Ahmed Salim
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. nahin665@gmail.com : Nk :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন

রাজবাড়ীতে পেঁয়াজ সংরক্ষণে সহস্রাধিক এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা

মাসুদ রেজা শিশির
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

মাসুদ রেজা শিশির: রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ তার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের মাধ্যমে রাজবাড়ী জেলার পেঁয়াজ চাষীদের উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের নিকট জানতে চান। এর প্রেক্ষিতে কৃষিমন্ত্রী সংসদে পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের সহায়তার জন্য সরকারের পরিকল্পনা ও উদ্যোগসমূহ উপস্থাপন করেন।

রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ হারুন অর রশিদ বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে অনুপস্থিত থাকায় তার পক্ষে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্লা প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।

কৃষি মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ রসুন সংরক্ষণের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে প্রনোদনার মাধ্যমে পাংশায় উপজেলায় ৫০৫টি, কালুখালী উপজেলায় ২৬০টি, বালিয়াকান্দি উপজেলায় ৪৯৫টি এয়ার ফ্লো মেশিন সরবরাহ ও স্থাপন করা হয়েছে। এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ-রসুন সংরক্ষণে কৃষি বিপনন অধিদপ্তরের মাধ্যমে বায়ু প্রবাহের মাধ্যমে আধুনিকায়ন ও সংরক্ষণে কৃষি মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণে ৮ হাজারটি এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপনের পরিকেল্পনা রয়েছে।

বালিয়াকান্দি, পাংশা ও কালুখালীতে ৮ হাজার টি এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাংশা, বালিয়াকান্দি ও কালুখালী উপজেলায় ৮শত থেকে ১ হাজারটি এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন-অর রশীদের পক্ষে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্লা প্রশ্নে বর্তমানে বাংলাদেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে, সেই পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। কিন্তু সংরক্ষণের অভাবে ৬-৭ লক্ষ মেট্রিক টন নষ্ট হয়। এ কারণে এয়ার ফ্লো মেশিনের মাধ্যমে মডেল ঘর নির্মাণ করা হয়, তাহলে নষ্ট হবে না। এ ঘর তৈরী করতে ৪ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়। যেখানে ৬-৮শত মন পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারি। পেঁয়াজ যাতে আমদানী করা না লাগে, সে বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নিবেন কিনা।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়, তাতে সঠিক সংরক্ষণের অভাবে ২৫-৩০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়। রাজবাড়ী জেলা পেঁয়াজ উৎপাদনে বিখ্যাত। এয়ার ফ্লো মেশিনের মাধ্যমে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ৮-৯ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। অপচয় মাত্র ২-৪%। এ কারণে আমরা যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এতে বাংলাদেশের কৃষক পেঁয়াজের অপচয় থেকে বেঁচে যাবে এবং পেঁয়াজে বাংলাদেশ সয়ংসম্পুর্ণ হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর
© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান