1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ট্রাম্পের নৈশভোজসহ প্রথম দিনে ১০ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ গত ১৭ বছর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা করা হয়েছে: রিজভী আহমেদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু এসএসসির খাতা দেখায় গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী ডিবি হারুন তার ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি হারুন অর রশিদ

মালয়েশিয়া প্রবাস থেকে গীতিকার শফিকুল আলমের স্বপ্নপূরণ, একসঙ্গে রেকর্ড হলো তিনটি মৌলিক গান

ফরিদুল আলম ফরিদ
  • আপডেট সময়: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
মালয়েশিয়া প্রবাসী গীতিকার মোঃ শফিকুল আলম

ফরিদুল আলম ফরিদ: রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার মাছপাড়া গ্রামের কৃতী সন্তান মোঃ শফিকুল আলম। ছোটবেলা থেকেই কবিতা লেখা, আবৃত্তি এবং গান শোনা ছিল তাঁর নেশা। স্কুলজীবন থেকেই তিনি নিয়মিত কবিতা লিখতেন এবং স্বপ্ন দেখতেন- একদিন তাঁর লেখা কবিতা পত্রিকায় প্রকাশিত হবে, বই আকারে বের হবে কিংবা তাঁর লেখা গান দেশের জনপ্রিয় শিল্পীদের কণ্ঠে রেডিও-টেলিভিশনে প্রচারিত হবে। প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে সেই স্বপ্ন আরও বিস্তৃত হয়ে দাঁড়ায়- মানুষ তাঁর লেখা গান ইউটিউব, ফেসবুক ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শুনবে।

তবে দীর্ঘদিন সেই স্বপ্ন অপূর্ণই ছিল। জীবিকার তাগিদে তিন বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান শফিকুল আলম। প্রবাসে থাকাকালীন নিজ এলাকার এক বড় ভাইয়ের লেখা গান বিভিন্ন শিল্পীর কণ্ঠে প্রকাশিত হতে দেখে নিজের লেখাগুলো নিয়েও নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। অনুসন্ধান করতে গিয়ে খুঁজে পান তাঁর শৈশবের বন্ধু ও সহপাঠী, দীর্ঘদিনের মিডিয়াকর্মী এবং জনতা টিভির কর্ণধার ফরিদুল আলম ফরিদকে। তাঁর সহযোগিতায় শুরু হয় গানের নতুন পথচলা।

প্রথম পর্যায়ে শফিকুল আলমের লেখা একাধিক গান থেকে ছয়টি গান নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে তিনটি গানের অডিও রেকর্ডিং ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি গানগুলোও পর্যায়ক্রমে প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।

রাজধানীর মগবাজারের সাততারা গলির খ্যাপা স্টুডিওতে একযোগে তিনটি মৌলিক বাংলা গানের অডিও রেকর্ডিং অনুষ্ঠিত হয়। দেশাত্মবোধ, লোকজ ঐতিহ্য ও আধুনিক আবেগ- এই তিন ভিন্ন ধারার গান নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্ট শিল্পী, গীতিকার ও সংগীতসংশ্লিষ্টরা।

রেকর্ডিংয়ে ‘বাংলাদেশ’ শিরোনামের দেশাত্মবোধক ও প্রতিবাদী গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন শিল্পী আঃ আজিজ‘পদ্মা নদী’ শিরোনামের লোকঘেঁষা আবেগময় গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন এ সময়ের সাড়া জাগানো ‘জুনিয়র এন্ড্রু কিশোর’ খ্যাত কণ্ঠশিল্পী সালমান রাজ। অন্যদিকে ‘বন্ধু ডাকিস নারে’ শিরোনামের আধুনিক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন নতুন প্রজন্মের কোকিলকণ্ঠী শিল্পী শাহনাজ রহমান রূপ

তিনটি গানের কথাই লিখেছেন প্রবাসী গীতিকার মোঃ শফিকুল আলম। গানগুলোর সুর করেছেন দেশের বরেণ্য সংগীত পরিচালক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা আনোয়ার শিকদার টিটন মামা। সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন নতুন প্রজন্মের প্রতিশ্রুতিশীল সংগীত পরিচালক ই এস আভির। ইতোমধ্যেই ছয়টি নির্বাচিত গানের সংগীতায়োজনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

পুরো প্রকল্পটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা, ভিডিও পরিচালনা ও তত্ত্বাবধানে রয়েছেন জনতা টিভির কর্ণধার ফরিদুল আলম ফরিদ। সহযোগিতা করেছেন এমকে জামান, মাহবুব প্রিতম ও শ্রাবণ আহমেদ। রেকর্ডিং পরিচালনা করেছেন অভিজ্ঞ রেকর্ডিস্ট রিংকু

সংশ্লিষ্টরা জানান, তিনটি গানের অডিও রেকর্ডিং সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ভিডিও নির্মাণ ও প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। খুব শিগগিরই গানগুলো জনতা টিভির ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে।

প্রবাসের মাটিতে থেকেও বাংলা গান ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসাকে হৃদয়ে লালন করে চলা গীতিকার মোঃ শফিকুল আলমের এই যাত্রা নতুন স্বপ্নের দুয়ার খুলে দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, দেশাত্মবোধ, লোকজ ঐতিহ্য ও আধুনিক আবেগে নির্মিত এই মৌলিক গানগুলো বাংলা গানের ভাণ্ডারে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নেবে।

মগবাজারস্থ স্টুডিওতে গান রেকর্ডিং এর সময় বাঁ থেকে সালমান রাজ, ফরিদুল আলম ফরিদ, আঃ আজিজ, শাহনাজ রহমান রূপ, শ্রাবণ আহমেদ ও এম কে জামান।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান