1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসির খাতা দেখায় গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী ডিবি হারুন তার ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি হারুন অর রশিদ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই আমরা বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ড. এম এ কায়ুমের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ফয়সাল হোসাইন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আইহান ও ইহান সরকারের আকিকা অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান

মেসির জাদুতে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, কানসাস সিটিতে আরও এক মহাকাব্য লিখলেন ফুটবল-সম্রাট

ফরিদুল আলম ফরিদ
  • আপডেট সময়: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি ও আল্ভারেজ। ছবি- সংগৃহীত

ফরিদুল আলম ফরিদঃ সবুজ ঘাসের ক্যানভাসে ১২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে শেষ বাঁশি বাজতেই কানসাস সিটির স্টেডিয়াম নীল-সাদা উল্লাসে ফেটে পড়ে। আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার আনন্দে যখন গ্যালারিজুড়ে উৎসব, তখন বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর দৃষ্টি ছিল মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা এক মানুষের দিকে- লিওনেল মেসি।

৩৯ বছর বয়সেও সময়কে যেন চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। যেখানে অধিকাংশ ফুটবলার ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে মাঠকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নেন, সেখানে মেসি এখনও নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও অসাধারণ ফুটবলবুদ্ধি দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

ম্যাচের শুরু থেকেই নিজের উপস্থিতির জানান দেন তিনি। প্রথমার্ধে কর্নার থেকে নেওয়া তাঁর নিখুঁত ডেলিভারি থেকে হেডে গোল করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। গোলটি ম্যাক অ্যালিস্টারের নামের পাশে যোগ হলেও, পুরো আক্রমণের নেপথ্যের শিল্পী ছিলেন মেসি।

পুরো ম্যাচজুড়ে সুইজারল্যান্ডের একাধিক ডিফেন্ডার মেসিকে ঘিরে রাখার চেষ্টা করলেও তাঁর ফুটবলীয় মেধা ও অভিজ্ঞতার সামনে সেই পরিকল্পনা বারবার ভেঙে পড়ে। নিজে গোলের চেয়ে সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করতেই বেশি মনোযোগী ছিলেন তিনি। নিখুঁত পাস, আক্রমণ গড়ে তোলা এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে আবারও হয়ে ওঠেন আর্জেন্টিনার প্রধান ভরসা।

নির্ধারিত সময়ে ফল না আসায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। তখন ক্লান্তি স্পষ্ট হলেও মেসির লড়াই থামেনি। তাঁর নেতৃত্বে তৈরি হওয়া ধারাবাহিক আক্রমণের চাপেই শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে সুইস রক্ষণ। অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ গোল করে আর্জেন্টিনার ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন এবং দলকে সেমিফাইনালে তুলে নেন।

শেষ বাঁশির পর মাঠের ঘাসে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন মেসি। সেই দৃশ্য আবেগাপ্লুত করে তোলে উপস্থিত দর্শক থেকে শুরু করে বিশ্বের অসংখ্য ফুটবলপ্রেমীকে। ক্লান্ত শরীর, কিন্তু মুখে তৃপ্তির হাসি- আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন, ফুটবলে তাঁর প্রভাব শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে মাপা যায় না।

এই জয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচটি শুধু একটি জয়ের গল্প নয়; এটি ছিল লিওনেল মেসির নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা এবং অদম্য মানসিক শক্তির আরেকটি উজ্জ্বল অধ্যায়।

ফুটবল ইতিহাস হয়তো এই ম্যাচকে আর্জেন্টিনার ৩-১ ব্যবধানে জয় হিসেবেই মনে রাখবে। কিন্তু সমর্থকদের হৃদয়ে এটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে এমন এক রাত হিসেবে, যেদিন লিওনেল মেসি আবারও প্রমাণ করলেন- তিনি শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি ফুটবল নামের শিল্পের এক জীবন্ত কিংবদন্তি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান