1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ গত ১৭ বছর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা করা হয়েছে: রিজভী আহমেদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু এসএসসির খাতা দেখায় গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী ডিবি হারুন তার ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি হারুন অর রশিদ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই আমরা বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঢাকার জলাবদ্ধতার জন্য রাজউককে দায়ী করলেন দুদকের সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
বৃষ্টি হলেই ঢাকায় পানি থমকে থাকে। সংগৃহীত ছবি

রাজধানীতে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার পেছনে নদী-জলাধারের পথ বন্ধ করে দেওয়া, বন্যাপ্রবণ অঞ্চল ভরাট এবং দুর্বল আইন প্রয়োগকে দায়ী করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী।

সোমবার (১৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, বৃষ্টির পানি রাজধানী থেকে নদীতে যাওয়ার স্বাভাবিক পথ এখন আর নেই। হাজার হাজার আবাসন প্রকল্প, জলাধার ও বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল ভরাট এবং অবৈধ ছাড়পত্রের কারণে ঢাকা আজ মানবসৃষ্ট প্লাবনের শিকার।

তার মতে, ‘বৃষ্টি অভিশাপ নয়; প্রাণ-প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও সভ্যতা রক্ষায় বৃষ্টিপাত এবং নদী-জলাধার অপরিহার্য।’

মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলতে রাজউক ও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে বেআইনিভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ড্যাপের (ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান) মানচিত্রে চিহ্নিত বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল সংরক্ষণের কথা থাকলেও কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল, রূপগঞ্জের পূর্বাচল এবং উত্তরার কিছু অংশে এসব এলাকা ভরাট করা হয়েছে।

মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর দাবি, পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট টিমের দায়িত্বে থাকাকালে বালু নদী ভরাটের ঘটনায় রাজউকের চেয়ারম্যানকে প্রতীকী পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট অভিযানে জলাশয় ও নদী দখল করে গড়ে ওঠা বহু অবৈধ আবাসন ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান, জরিমানা এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় অসংখ্য আইন, বিধিমালা, ভবন, অফিস ও সেমিনার হলেও আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ‘অমার্জনীয় অবহেলা’ হয়েছে।

সরকারের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, গত দুই বছরে বুড়িগঙ্গা, বালু, শীতলক্ষ্যা ও তুরাগ নদীর দখল ও দূষণ পরিস্থিতি কিংবা সাভার-আশুলিয়ার জলাশয় ধ্বংস সরেজমিনে দেখতে পরিবেশ উপদেষ্টা, মন্ত্রী, সচিব বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কেউ গিয়েছেন কি না।

মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, নাগরিকদের আইন অমান্য করার প্রবণতা এবং সরকারি সংস্থাগুলোর আইন প্রয়োগে ব্যর্থতা মিলেই দেশে ‘গভর্ন্যান্স ক্রাইসিস’ ও ‘মোরালিটি ক্রাইসিস’ তৈরি হয়েছে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জলাধার ও নদী রক্ষায় নজরদারি, মনিটরিং ও আইন প্রয়োগ জোরদার করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, জরিমানা এবং প্রয়োজনে বেতন কর্তনের মতো শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় শাসন ও ব্যবস্থাপনার সংকট কখনোই দূর হবে না।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান