1. nahin665@gmail.com : Nk :
  2. kayesahmedsalimbd@gmail.com : admin : Kayes Ahmed Salim
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ গত ১৭ বছর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা করা হয়েছে: রিজভী আহমেদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু এসএসসির খাতা দেখায় গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী ডিবি হারুন তার ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও আজীবন ভোগদখল করবেন বাবা-মা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন এমপি হারুন অর রশিদ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই আমরা বাংলাদেশি : প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি ১৭০০ কোটি ডলার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময়: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ শুধু ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ আর আনন্দের উৎস নয়, এর প্রভাব পড়ে বিশ্ব অর্থনীতিতেও। ২০২৬ বিশ্বকাপে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ মেসি, নেইমার, এমবাপ্পে, ইয়ামালের মতো তারকাদের খেলা দেখতে ব্যস্ত থাকায় কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপের কারণে ব্যবসা ও কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

‘নকআউট টিউসডে’তে কমেছে অফিস উপস্থিতি

ইউকেজির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কর্মী ছুটি নিয়েছেন, কেউ অফিসে দেরিতে পৌঁছেছেন, আবার কেউ নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরেছেন।

কর্মক্ষেত্র ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম এনভয় (Envoy)-এর তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্র দল ৬ জুলাই শেষ ষোলোর ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ৭ জুলাই মঙ্গলবার দেশটির অফিসগুলোতে কর্মীদের উপস্থিতি হঠাৎ ২৬ শতাংশ কমে যায়। এই অনুপস্থিতির হার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আয়োজন সুপার বোল ফাইনালের পরদিনের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

শুধু অফিসে কর্মীদের উপস্থিতিই কমেনি, বরং ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ে। ওই দিন ক্লায়েন্ট মিটিং, চাকরির সাক্ষাৎকার এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক বৈঠকের সংখ্যা প্রায় ৩২ শতাংশ কমে যায়। এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিকে এনভয় নাম দেয় ‘নকআউট টিউসডে’ (Knockout Tuesday)।

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র দলের ম্যাচের দিনগুলোতেই কর্মীদের কাজে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। তবে দলটি টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার পর ধীরে ধীরে অফিসের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরতে শুরু করে।

বিশ্বকাপের সময় কর্মীদের কাজের ক্ষতি কমাতে এবং আয়োজক শহরগুলোতে অতিরিক্ত যানজট এড়াতে বেশ কিছু বড় প্রতিষ্ঠান আগাম ব্যবস্থা নেয়। ‘জেপি মরগান চেস, গোল্ডম্যান স্যাকস এবং এসঅ্যান্ডপি’-এর মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ম্যাচের দিন কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার সুযোগ দেয়।

এদিকে, ফাইনালের পরদিন অফিসে উপস্থিতির হার কেমন হতে পারে, তার একটি পূর্বাভাসও দিয়েছিল এনভয়। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্র না থাকায় সোমবার অফিসে অনুপস্থিতির হার খুব বেশি বাড়বে না বলে ধারণা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সাধারণ সোমবারের তুলনায় উপস্থিতি সর্বোচ্চ ১.৮৭ শতাংশ কমতে পারে, যা সুপার বোলের পরদিনের কাছাকাছি।

বড় ক্রীড়া ইভেন্টে কর্মক্ষেত্রে প্রভাব নতুন নয়

ব্লুমবার্গের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বড় কোনো ক্রীড়া বা বিনোদনমূলক আয়োজনের সময় কর্মীদের কাজে প্রভাব পড়ার ঘটনা নতুন নয়। এর আগে অলিম্পিক গেমস কিংবা ২০২৩ সালে ‘বার্বি’ ও ‘ওপেনহাইমার’ সিনেমা মুক্তির সময়ও বিভিন্ন দেশে কর্মক্ষেত্রে উপস্থিতি ও উৎপাদনশীলতায় পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল।

তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে যে পরিমাণ অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা কমেছে, তা সাম্প্রতিক সময়ের বড় বৈশ্বিক ইভেন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর

2

© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান