1. kayesahmedsalimbd@gmail.com : Kayes Ahmed Salim : Kayes Ahmed Salim
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. nahin665@gmail.com : Nk :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন

কক্সবাজার সীমান্তে পৃথক অভিযানে বিজিবি’র ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ১০ লাখ ৫৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময়: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

কক্সবাজার সীমান্তে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বিজিবির রামু সেক্টরের আওতাধীন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এবং রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) সর্বমোট ১০ লক্ষ ৫৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৩১ কোটি ৭৮ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, যা একদিনে বিজিবি’র ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ইয়াবা জব্দের ঘটনা।

আজ (১১ এপ্রিল) ভোর রাতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত দুই সপ্তাহ ধরে ওই এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আনুমানিক রাত ০৩:০০ ঘটিকায় রাডারের মাধ্যমে নাফ নদী সংলগ্ন এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে থার্মাল ইমেজারের সাহায্যে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, একদল চোরাকারবারী নাফ নদী সাঁতরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। এ সময় বিজিবির হ্নীলা বিওপির বিশেষ টহলদল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৌশলগতভাবে অ্যাম্বুশ স্থাপন করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা তাদের সঙ্গে থাকা মাদকদ্রব্য ফেলে দিয়ে নাফ নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মোট ১৩টি পোটলা হতে ৮ লক্ষ ৫৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ২৫ কোটি ৭৮ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

অপরদিকে, দুপুরে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের তুলাবাগান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আরও ২ লক্ষ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকা।

এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একইসঙ্গে ইয়াবা পাচারের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি ও ভোজ্য তেল এবং সার পাচার রোধেও সীমান্তে আভিযানিক ও গোয়েন্দা তৎপরতাসহ বিজিবির সার্বিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গত দুই মাসে উখিয়া ব্যাটালিয়ন প্রায় ৩,৪০০ কেজি সার এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি ও ভোজ্য তেল পাচার প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে।

সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা বদ্ধপরিকর। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও খবর
© All rights reserved © 2025
ওয়েবসাইট ডিজাইন : মো: নাহিন খান